BMBF News
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

ছাত্র আন্দোলনের আবহে পদত্যাগ করলেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট ভুচিচ!

সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্দার ভুচিচ পদত্যাগ করেছেন। প্রায় দুই বছর ধরে চলা ছাত্রনেতৃত্বাধীন সরকারবিরোধী আন্দোলন, দুর্নীতির অভিযোগ এবং আগাম নির্বাচনের দাবির মধ্যেই রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি। তবে ভুচিচের এই সিদ্ধান্তের পেছনে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো—সাংবিধানিকভাবে তৃতীয়বার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ না থাকায় তিনি আসন্ন সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হতে চান।

রোববার বেলগ্রেডে প্রেসিডেন্ট ভবনের বাইরে সমর্থকদের সামনে বক্তব্য দেন ভুচিচ। সেখানে তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট হিসেবে এটাই তাঁর শেষ সন্ধ্যা। দায়িত্ব সংসদের স্পিকারের কাছে হস্তান্তর করবেন বলেও জানান তিনি। তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদ আগামী বছরের মে মাসে শেষ হওয়ার কথা ছিল।

ভুচিচ ২০২৬ সালের ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় আগাম সংসদ নির্বাচনে তাঁর সার্বিয়ান প্রগ্রেসিভ পার্টির (এসএনএস) হয়ে প্রধানমন্ত্রী পদে প্রার্থী হওয়ার পরিকল্পনা করছেন। প্রেসিডেন্ট পদে টানা দুই মেয়াদ দায়িত্ব পালন করায় দেশটির সংবিধান অনুযায়ী তৃতীয়বার ওই পদে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

সার্বিয়ায় ভুচিচ সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ রয়েছে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে নোভি সাদ শহরের রেলস্টেশনের ছাদ ধসে ১৬ জন নিহত হওয়ার পর ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। ওই দুর্ঘটনার জন্য নিম্নমানের সংস্কারকাজ ও দুর্নীতিকে দায়ী করে জবাবদিহির দাবি ওঠে। পরে আন্দোলনটি আরও বিস্তৃত হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এবং আগাম নির্বাচনের দাবিতে রূপ নেয়।

ADS Payra UP Election

ছাত্রদের নেতৃত্বে শুরু হওয়া আন্দোলনে শিক্ষক, শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও অংশ নেন। কয়েক দফায় বড় আকারের বিক্ষোভ হয়। আন্দোলনকারীদের অন্যতম দাবি ছিল আগাম সংসদ নির্বাচন। চলতি মাসে ভুচিচ ২৫ অক্টোবর আগাম সংসদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন।

এদিকে আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বিক্ষোভ দমনে পুলিশ অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ ও নির্বিচারে আটকের মতো ঘটনা ঘটিয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোও ভুচিচ ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে কর্তৃত্ববাদী শাসনের অভিযোগ তুলেছে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে সরকার।

ভুচিচ ২০১৪ সালে সার্বিয়ার প্রধানমন্ত্রী হন এবং ২০১৭ সালে প্রথমবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নে সার্বিয়ার যোগদানের পক্ষে অবস্থান জানালেও একই সময়ে রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন এবং চীনা বিনিয়োগের জন্যও দেশটি উন্মুক্ত রেখেছেন।

ভুচিচের পদত্যাগের পর নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত সংসদের স্পিকার আনা ব্রনাবিচ অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করবেন। এদিকে ২৫ অক্টোবরের আগাম সংসদ নির্বাচনে ছাত্র আন্দোলন-সমর্থিত একটি তালিকাও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

Pearl IT
✔ ওয়েব ডিজাইন
✔ গ্রাফিক্স ডিজাইন
✔ কন্টেন্ট পাবলিশিং
✔ এসইও সার্ভিস
অর্ডার করুন »