BMBF News
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬ আফটারশক, উপকূলে উদ্বেগ!

মধ্য আমেরিকার দেশ পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬টি পরকম্পন বা আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ৯ অক্টোবরের ভূমিকম্পের পর দেশটির প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে ভূমির পরিবর্তন, সমুদ্রের পানির ওঠানামা এবং সম্ভাব্য সুনামির ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা। ভূমিকম্পের প্রভাবে ভূত্বকে কী ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে, তা জানতে উপকূলীয় এলাকাগুলো পর্যবেক্ষণ করছেন গবেষকেরা।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) এ তথ্য জানা গেছে। পানামা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক নেস্তর লুকাস জানান, এ ধরনের শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর এক থেকে দুই মাস পর্যন্ত পরকম্পন চলতে পারে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূগর্ভের ১০ কিলোমিটারেরও কম গভীরে। এর ফলে নির্গত শক্তির প্রভাবে ভূত্বকের বিভিন্ন অংশে এখনো পুনর্বিন্যাস ঘটছে। তবে পরকম্পনগুলোর মাত্রা ধীরে ধীরে কমছে।

তিনি আরও জানান, চিরিকি ও বোকা দেল তোরো অঞ্চলে সাম্প্রতিক কিছু ভূমিকম্প ভূত্বকের চ্যুতির সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। তাই এসব কম্পন ৯ অক্টোবরের মূল ভূমিকম্পের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত কি না, তা নিশ্চিত নয়।

এদিকে, প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের কয়েকটি এলাকায় সমুদ্রের পানি সরে যাওয়া এবং পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, ভূত্বকের চ্যুতির কারণে উপকূলের কিছু অংশ উঁচু বা নিচু হয়ে থাকতে পারে। তবে এসব পরিবর্তনের প্রকৃত কারণ ও মাত্রা নিশ্চিত করতে আরও পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় পুয়ের্তো আরমুয়েল এলাকায় সমুদ্রের তলদেশে পরিবর্তন হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট ফাটল সমুদ্র পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করবেন গবেষকেরা। এ ধরনের পরিবর্তন উপকূলীয় পরিবেশ ও সমুদ্রের পানির আচরণে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা।

এ ছাড়া কয়েকটি এলাকায় সমুদ্রের পানির রং ঘোলা হয়ে যাওয়ার ঘটনাও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, ভূমিকম্পের ফলে ভূগর্ভস্থ পানির সঙ্গে খনিজ পদার্থ মিশে যাওয়ায় এমন পরিবর্তন ঘটতে পারে। তবে রাসায়নিক পরীক্ষা ছাড়া এর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলায় পর্যবেক্ষণব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথাও জানিয়েছে ভূবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট। প্রতিষ্ঠানটির মতে, ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণের জন্য আরও প্রায় ১৫০টি যন্ত্র এবং আগ্নেয়গিরির বিষয়ে আগাম সতর্কতা দিতে ৭০০টি সেন্সর প্রয়োজন। এসব সরঞ্জাম স্থাপন করা গেলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ পর্যবেক্ষণ ও আগাম সতর্কতা দেওয়ার সক্ষমতা বাড়বে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »