BMBF News
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

মাহফিলের নামে উস্কানিমূলক সমাবেশ হেফাজতের, প্রতিবাদে হেযবুত তওহীদের মানববন্ধন-বিক্ষোভ

নোয়াখালীতে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে হেফাজতে ইসলামের ব্যানারে মিথ্যা অপপ্রচার, প্রকাশ্য হুমকি ও উসকানিমূলক বক্তব্যের প্রতিবাদে রবিবার (২ আগস্ট) সকালে ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে ঢাকা মহানগর হেযবুত তওহীদ। এর আগে গত ১ আগস্ট নোয়াখালী জিলা স্কুল মাঠে হেফাজতে ইসলামের ব্যানারে আয়োজিত সমাবেশে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচিতে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর হেযবুত তওহীদের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ। এছাড়া বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউর রহমান ও এস. এম. শামসুল হুদা, ঢাকা মহানগর ছাত্রকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মোখলেছুর রহমান সুমন, যুগ্ম নারী সম্পাদক আয়েশা সিদ্দিকা প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, হেফাজতে ইসলামের ব্যানারে কওমি মাদ্রাসাকেন্দ্রিক একটি গোষ্ঠী ইসলামী মাহফিলের নামে যে সমাবেশ করেছে, সেটি ছিল একটি উগ্রবাদী ও উসকানিমূলক সমাবেশ। পরিকল্পিতভাবে নোয়াখালীর শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে অশান্ত করার উদ্দেশ্যেই এর আয়োজন করা হয়েছে। ওই সমাবেশে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও কল্পনাপ্রসূত অভিযোগ আনা হয়েছে এবং কবর দেওয়া, উচ্ছেদ করা ও দেশ থেকে বের করে দেওয়ার মতো প্রকাশ্য হুমকি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নারী-বিদ্বেষী ও ঘৃণামূলক বক্তব্যের মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে একটি আইন মান্যকারী বৈধ আন্দোলনের বিরুদ্ধে সহিংসতার উসকানি দেওয়া হয়েছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।

এর আগে, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে হেযবুত তওহীদের ইমামের গ্রামের বাড়িতে অরাজকতা সৃষ্টির চক্রান্ত হিসেবে ১০-১৫ দিন ধরে নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর অঞ্চলে মসজিদে মসজিদে উসকানিমূলক বয়ান এবং উগ্র প্রচারপত্র বিলি করা হয়। এমনকি ঢাকার উত্তরায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনেও উসকানিমূলক মিছিল নিয়ে এসে ও হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রশাসনকে, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি বিষয়টি। তারপরেও ওয়াজের নাম করে কাফের ফতোয়া দিয়ে সাধারণ মানুষকে উসকে দিচ্ছে উগ্রপন্থীরা।

বিগত ৩১ বছরে পাঁচ শতাধিক মামলায় আদালতে বেকসুর খালাস পাওয়া হেযবুত তওহীদ কখনো আইন অমান্য করেনি। পক্ষান্তরে নিষিদ্ধের দাবি তোলা এই ধর্মব্যবসায়ী গোষ্ঠীর পরিচালিত মাদ্রাসা ও মসজিদেই ‘শিশু বলাৎকার, নির্যাতন ও মব’ সৃষ্টির মতো ভয়াবহ অপকর্মের সাক্ষী বাংলার জনগণ। সুতরাং বাংলার মাটিতে নিষিদ্ধ যদি করতে হয়, তবে এই কামুক, উগ্র, শিশু নির্যাতকদেরই করা উচিত।

কওমী মাদ্রাসাগুলোতে চলমান শিশু নির্যাতন ও বলাৎকারের ঘটনা থেকে সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষের দৃষ্টিকে সরাতে এই পদ্ধতি বেছে নিয়েছে তারা- অভিযোগ করে বলেন বক্তারা।

বক্তারা বলেন, এ ধরনের উসকানি হেযবুত তওহীদের সদস্যদের জানমাল, বাড়িঘর ও সম্পদের নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করেছে। অতীতে ২০১৬ সালে সোনাইমুড়িতে মাননীয় ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিমের গ্রামের বাড়িতে হামলা চালিয়ে দুইজন সদস্যকে হত্যা, অগ্নিসংযোগ ও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন, একই ধরনের সহিংসতার ক্ষেত্র আবারও তৈরি করা হচ্ছে।

বক্তারা সরকারের কাছে দাবি জানান, প্রকাশ্যে হুমকি, সহিংসতায় উসকানি, মিথ্যা অপপ্রচার ও নারীদের বিরুদ্ধে অবমাননাকর বক্তব্য প্রদানকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে হেযবুত তওহীদের সদস্যদের সাংবিধানিক অধিকার, মানবাধিকার এবং জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।

মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল জাতীয় প্রেস ক্লাব চত্বর থেকে তোপখানা রোড প্রদক্ষিণ করে। মিছিল থেকে উগ্রবাদ, ধর্মব্যবসা ও সহিংস উসকানির বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া হয় এবং উসকানিদাতাদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানানো হয়।

Pearl IT
ওয়েব ডিজাইন
গ্রাফিক্স ডিজাইন
কন্টেন্ট পাবলিশিং
এসইও সার্ভিস
অর্ডার করুন »