BMBF News
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানি করতে চায় সরকার!

দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণে মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির আওতায় দুই দেশের জ্বালানি সহযোগিতা আরও জোরদার করতে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে মিয়ানমারও।

রোববার (২ আগস্ট) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ কিয়াও সোয়ে মোয়ের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠক শেষে জ্বালানিমন্ত্রী জানান, দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এ কারণে মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস আমদানিতে বাংলাদেশ আগ্রহী। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। তাই মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস আমদানির বিষয়ে আমরা আগ্রহী।”

জবাবে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত এ প্রস্তাবকে ইতিবাচকভাবে দেখার কথা জানান। পাশাপাশি পাইপলাইনের পাশাপাশি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আকারেও বাংলাদেশে গ্যাস সরবরাহের সম্ভাবনার বিষয়টি তুলে ধরেন।

আলোচনায় মিয়ানমার থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণের পুরোনো পরিকল্পনাও নতুন করে গুরুত্ব পায়। জ্বালানিমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন, ২০০৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া পাইপলাইনের মাধ্যমে মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানির যে প্রস্তাব দিয়েছিলেন, সেটি আবারও বিবেচনায় আনা যেতে পারে।

দুই দেশের মধ্যে এ উদ্যোগ এগিয়ে নিতে জ্বালানিমন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠকেরও প্রস্তাব দেন ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি মিয়ানমারের জ্বালানিমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং প্রয়োজনে নিজেও মিয়ানমার সফরে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বৈঠকে চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর নিয়েও আলোচনা হয়। জ্বালানিমন্ত্রীর মতে, এ করিডোর বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি, বাণিজ্য ও আঞ্চলিক যোগাযোগ আরও শক্তিশালী হবে।

এদিকে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ কিয়াও সোয়ে মোয়ে বাংলাদেশ-মিয়ানমার যৌথ কারিগরি কমিটির বৈঠক পুনরায় শুরু করার প্রস্তাব দেন। তার মতে, দুই দেশের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের আলোচনার মাধ্যমে গ্যাস আমদানির সম্ভাবনা ও কারিগরি বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা যেতে পারে।

বৈঠকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে শিল্প, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও গৃহস্থালি খাতে গ্যাসের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে বিকল্প উৎস থেকে গ্যাস আমদানি এবং আঞ্চলিক জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারে সরকারের এ উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Pearl IT
ওয়েব ডিজাইন
গ্রাফিক্স ডিজাইন
কন্টেন্ট পাবলিশিং
এসইও সার্ভিস
অর্ডার করুন »