মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ,মির্জাগঞ্জ , প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ৮জন শিক্ষক কর্মরত থাকা একটি কলেজ থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন মাত্র একজন শিক্ষার্থী। তবে তিনিও পাস করতে পারেননি। এক বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় কলেজটির এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে পাসের ঘর শূন্য রয়েছে।
কলেজটির নাম মজিদবাড়িয়া কলেজ। উপজেলার মজিদ বাড়িয়া ইউনিয়নে কলেজটি অবস্থিত। ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ ২৪ বছরেও গড়ে তুলতে পারেনি নিজস্ব পাকা একাডেমিক ভবন। টিনশেড ঘরেই চলছে পাঠদান। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, শিক্ষা দান পদ্ধতি ও শিক্ষা-সুবিধার অভাবে দিন দিন শিক্ষার্থী হারাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
কলেজ সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ৮ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। অথচ এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে অংশ নিয়েছেন মাত্র একজন শিক্ষার্থী। রাজু আহমেদ নামের ওই শিক্ষার্থী একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন। ফলে কলেজটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ২৪ বছর ধরে একটি কলেজ এভাবে চলাই চরম ব্যর্থতা। আটজন শিক্ষক যেখানে মাত্র একজন শিক্ষার্থীকে পাস করাতে পারলেন না, এ বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং এর পেছনের কারণ খতিয়ে দেখা দরকার।
কলেজের অধ্যক্ষ ফারুক ইকবাল জানান, প্রতিষ্ঠানটি এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি। এ কারণে ভালো মানের শিক্ষার্থীরা এখানে ভর্তি হতে আগ্রহ দেখান না। অবকাঠামোগত সংকটের পাশাপাশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাও দিন দিন কমছে। এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে মাত্র একজন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। ওই শিক্ষার্থী একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন।
