উন্নয়নশীল অর্থনীতির জোট ব্রিকসের বহুল প্রতীক্ষিত শীর্ষ সম্মেলন আগামীকাল শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভারতের নয়াদিল্লিতে শুরু হচ্ছে। সম্মেলন ঘিরে রাজধানীতে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা। এতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ সদস্য দেশগুলোর শীর্ষ নেতারা অংশ নিচ্ছেন। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিকল্প মুদ্রার ব্যবহার এবারের সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে।
উন্নয়নশীল অর্থনীতির জোট ব্রিকসের বহুল প্রতীক্ষিত শীর্ষ সম্মেলন আগামীকাল শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) আয়োজক দেশ ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। বিশ্বনেতাদের উপস্থিতিকে ঘিরে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা।
বিশ্বনেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নয়াদিল্লির গুরুত্বপূর্ণ এলাকা এবং ভিভিআইপি রুটগুলোতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উচ্চপ্রযুক্তির একটি বিশেষ নিয়ন্ত্রণকক্ষ স্থাপন করেছে। সেখান থেকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্বনেতাদের মোটরকেডের গতিবিধি এবং রাজধানীর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
সম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতেই নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানরাও সরাসরি সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র সামরিক সংঘাত এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে এবারের ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পরিবর্তিত বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
বিশেষ করে অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিকল্প মুদ্রার ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এর পাশাপাশি বৈশ্বিক বাণিজ্যব্যবস্থায় ব্রিকসের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার বিষয়টিও গুরুত্ব পেতে পারে।
অর্থনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিও শীর্ষ নেতাদের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ জায়গা করে নিতে পারে।
বিশ্ব অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ব্রিকসের প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে। ফলে এবারের সম্মেলনে সদস্য দেশগুলোর সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত এবং বিশ্বনেতাদের আলোচনার দিকে বিশেষ নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।
