কামাল হোসেন বিশেষ প্রতিনিধি:
গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারী দলের অবস্থানের প্রতিবাদ এবং গণভোটের রায় অবিলম্বে বাস্তবায়নের দাবিতে দেশব্যাপী কর্মসূচীর অংশ হিসেবে পটুয়াখালীতে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৫টায় পটুয়াখালী ১১ দলীয় ঐক্যের আয়োজনে পৌর লঞ্চঘাট প্রাঙ্গনে বিক্ষোভ পুর্ব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে জেলা জামায়াতের আমীর অ্যাড. নাজমুল আহসানের সভাপতিত্বে এবং জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম আল কায়সারীর সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন আমার বাংলাদেশ পার্টি – এবিপার্টির পটুয়াখালী জেলা সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার কামাল হোসেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি’র পটুয়াখালী জেলা যুগ্ম সমন্বয়ক মোঃ বশির উদ্দিন, জেলা জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক নজরুল ইসলাম সোহাগ, খেলাফত মজলিসের পটুয়াখালী পৌর শাখার সভাপতি হারুন অর রশীদ, সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, পটুয়াখালী পৌর জামায়াতের আমীর মাও. আবুল বাশার, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক তোফাজ্জল হোসেন, জেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি আতিকুল ইসলাম, জামায়াতের সদর উপজেলার যুব বিভাগের সভাপতি মাওলানা মোঃ শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত গণভোটের রায়কে বর্তমান সরকার সুকৌশলে উপেক্ষা করছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে সরকারি দল বিভিন্ন টালবাহানা শুরু করেছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
এবিপার্টির জেলা সদস্য সচিব তার বক্তব্যে বলেন জাতীয় সংসদের ট্রেজারি বেঞ্চে যারা বসে আছেন প্রত্যেকে ফ্যাসীবাদী সরকারের দ্ধারা কোন না কোন ভাবে নির্যাতিত, গনরায়ের বিপক্ষে গিয়ে যখন তারা কথা বলে তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন সাহেবের উন্মাদের মতো শিলং এর রাস্তায় পাওয়া মুখ খানা ভেসে উঠে, স্বাধীন বিচার পতি নিয়োগ সহ সুপ্রিমকোট সচিবালয় বিল বাতিলের প্রস্তাব করে তখন মরহুমা খালেদাজিয়ার করুন মুখখানি দেখতে পাই, বিচারকরা কিভাবে এতিমের টাকা আত্মসাৎ এর মতো একটি হাস্যকর মামলায় বছরের পর বছর কারাগারে রেখেছে। তিনি সরকারী দলের বন্ধুদের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন কোন জায়াগায় দস্তখত করে ক্ষমতায় এসেছেন জাতী আজ তা জানতে চায়।
সমাবেশ শেষে পটুয়াখালী লঞ্চঘাট থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে পৌর নিউমার্কেটে গিয়ে শেষ হয় এবং সভাপতির সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।