নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আগামী কেন্দ্রীয় কমিটিকে ঘিরে আলোচনা এখন তুঙ্গে। সংগঠনের গতিশীলতা ফেরাতে এবং রাজপথের পরীক্ষিত নেতৃত্বকে সামনে আনতে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মুখে উচ্চারিত হচ্ছে একটি নামড় মোঃ আবদুল জলিল আমিনুল।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাকিম চত্বর থেকে উঠে আসা এই ছাত্রনেতা বর্তমানে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে তার রাজনৈতিক পরিচয় কেবল পদ-পদবিতে সীমাবদ্ধ নয়; বরং রাজপথের লড়াকু সৈনিক হিসেবেই তিনি সাধারণ নেতা-কর্মীদের কাছে বেশি পরিচিত।
আবদুল জলিল আমিনুলের রাজনীতির হাতেখড়ি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক ২ নং
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের সাবেক সভাপতির দায়িত্ব অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পালন করেছেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে বরাবরই সোচ্চার এই মেধাবী শিক্ষার্থী দলের দুঃসময়ে ঢাবির প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে সম্মুখ সারিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
২০১১ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত আবদুল জলিল আমিনুল অসংখ্যবার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে রয়েছে হাফ ডজন ‘মিথ্যা’ রাজনৈতিক মামলা। দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে রাজপথে একাধিকবার পুলিশ ও প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হয়েছেন তিনি। এমনকি সংগঠনের স্বার্থে ২০১৩ সালে ৭৪ দিন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে কারাবরণও করতে হয়েছে এই ছাত্রনেতাকে। তার সমর্থক ও সাধারণ নেতা-কর্মীরা জনান, “আবদুল জলিল আমিনুল একদিনে তৈরি হননি। জেল, জুলুম, মামলা ও হামলার ভয় উপেক্ষা করে তিনি সর্বদা রাজপথে ছিলেন। ছাত্রদলের দুর্দিনের এই কান্ডারিকে আগামী কেন্দ্রীয় কমিটিতে সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে পাওয়া এখন সময়ের দাবি।
ছাত্রদলের সাধারণ কর্মীদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ছাত্রদলকে আরও সুসংগঠিত করতে হলে আমিনুলের মতো ত্যাগী ও অভিজ্ঞ নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতির মাঠ থেকে উঠে আসা নেতৃত্বের প্রতি সাধারণ কর্মীদের আস্থা সবসময়ই বেশি থাকে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার ছবি ও ত্যাগের ভিডিও (রিলস) শেয়ার করে দোয়া ও শুভকামনা জানাচ্ছেন হাজারো শুভাকাঙ্ক্ষী। তাদের বিশ্বাস, যোগ্যতার মূল্যায়ন হলে আবদুল জলিল আমিনুল ছাত্রদলের আগামীর কাণ্ডারি হিসেবে আবির্ভূত হবেন।