BMBF News
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে তিন শর্ত দিলেন ইরানি প্রেসিডেন্ট

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ থামাতে ভবিষ্যৎ আগ্রাসন বন্ধে আন্তর্জাতিক নিশ্চয়তা, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণসহ তিনটি শর্ত হাজির করেছে তেহরান। বৃহস্পতিবার ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ শর্তগুলো দেন বলে জানিয়েছে একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। কোনো চুক্তি হলে তার মধ্যে ইরানের সব বৈধ অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার কথাও থাকতে হবে, বলেছেন তিনি।

“রাশিয়া ও পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে কথা বলার সময় আমি এই অঞ্চলে শান্তির প্রতি ইরানের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছি। জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠী ও যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা এই যুদ্ধ বন্ধের একমাত্র পথ হচ্ছে—ইরানের বৈধ অধিকারগুলোর স্বীকৃতি, ক্ষতিপূরণ এবং ভবিষ্যৎ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দৃঢ় আন্তর্জাতিক নিশ্চয়তা,” পেজেশকিয়ান তার পোস্টে এমনটাই লিখেছেন বলে এনডিটিভি জানিয়েছে।

তার এ প্রস্তাবের কিছুক্ষণ আগেই ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র আবুলফজল শেকারচি ইরানের রাষ্ট্র পরিচালিত আইআরআইবি টিভিকে বলেছেন, ওয়াশিংটন যদি ইরানের বন্দরগুলোকে নিশানা বানায় তাহলে পারস্য উপসাগরে এমন কোনো বন্দর, অর্থনৈতিক কেন্দ্র বা স্থান নেই যা ইরানের নাগালের বাইরে থাকবে।

“যদি আমাদের বন্দর বা ঘাটগুলো হুমকির সম্মুখীন হয়, তাহলে এই অঞ্চলের সব বন্দর ও ঘাট আমাদের বৈধ নিশানায় পরিণত হবে,” বলেছেন তিনি।

ইরানের বন্দরগুলো হামলার মুখে পড়লে সশস্ত্র বাহিনী ‘এতদিন যা করেছে তার চেয়েও বড়সড় হামলা চালাবে’, হুমকি তার।

“এই অঞ্চলের সব দেশকে তাদের ভূখণ্ড থেকে আমেরিকানদের বের করে দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি আমরা,” বলেন শেকারচি।

যুদ্ধ নিয়ে ইসরায়েলি মূল্যায়ন:
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন বলছে, টানা বোমাবর্ষণের পরও ইরানজুড়ে কোনো অভ্যুত্থান বা বিক্ষোভের লক্ষণ দেখা না যাওয়ায় চলমান যুদ্ধে ইরানের শিয়া শাসনব্যবস্থার পতন ঘটবে এমন নিশ্চয়তা নেই বলে রুদ্ধদ্বার আলোচনায় ইসরায়েলি কর্মকর্তারাও স্বীকার করছেন।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার বিভিন্ন মন্তব্যে যুদ্ধ দ্রুত শেষ হতে পারে বলে আভাস দিলেও, ওয়াশিংটন থেকে তার কাছাকাছি ধরনের কোনো নির্দেশনাও দেখা যাচ্ছে না বলে ইসরায়েলের পর্যালোচনা বলছে। দুই ইসরায়েলি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়েছে।

গেল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে যে তুমুল বোমাবর্ষণ শুরু করে তার ধাক্কায় এরই মধ্যে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ছাড়াও অসংখ্য ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাকে হারিয়েছে ইরান। মারা পড়েছে হাজারের বেশি বেসামরিক নাগরিক, গুঁড়িয়ে গেছে ১০ হাজারের বেশি স্থাপনা।

তেহরান ও অন্যান্য শহরে লাগাতার বোমা পড়ায়, এবং কেউ সরকারবিরোধী প্রতিবাদে নামলে তা শক্ত হাতে প্রতিহত করার ব্যাপারে ইরানি শাসকগোষ্ঠীর হুমকির কারণেও বিরোধীরা হয়তো রাস্তায় নামার সাহস করছে না বলে পশ্চিমা অনেক বিশ্লেষক ও গণমাধ্যম মনে করছে।

তবে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের বিভিন্ন শহরের রাস্তায় প্রায় প্রতিদিনই সরকারের সমর্থনে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মিছিল, সমাবেশ দেখা যাচ্ছে।

Pearl IT
ওয়েব ডিজাইন
গ্রাফিক্স ডিজাইন
কন্টেন্ট পাবলিশিং
এসইও সার্ভিস
অর্ডার করুন »