BMBF News
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলায় শিক্ষার্থীরা অপমানিত হয়েছিল: ট্রাইব্যুনালে সাক্ষী নাহিদ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এক মন্তব্যে কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অপমানিত ও ক্ষুব্ধ হয়েছিল বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) সাক্ষ্য দিয়েছেন ছাত্রনেতা নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনার ওই বক্তব্য আন্দোলনের বিরুদ্ধে দমন-পীড়নকে উসকে দিয়েছিল।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বুধবার ৪৭তম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ। এ মামলার প্রধান আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জবানবন্দিতে নাহিদ ইসলাম বলেন, “২০২৪ সালের ১৪ জুলাই এক সংবাদ সম্মেলনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ ও ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ বলে আখ্যায়িত করেন। এই মন্তব্যের পর সারা দেশের শিক্ষার্থীরা অপমানিত বোধ করে এবং সেদিন রাতেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিবাদে ফেটে পড়ে।”

তিনি আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্য আন্দোলনের ন্যায্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দমন-পীড়নকে এক ধরনের বৈধতা দেয়।”

নাহিদ ট্রাইব্যুনালকে জানান, ওই ঘটনার পর গোয়েন্দা সংস্থা তাদের আন্দোলন প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেয় এবং বিভিন্ন থানায় আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। এক পর্যায়ে জীবনের হুমকি দেখা দিলে আন্দোলনের নেতারা আত্মগোপনে যেতে বাধ্য হন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ১৮ ও ১৯ জুলাই দেশব্যাপী ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে বহু শিক্ষার্থী হতাহত হয়। সে সময় গণমাধ্যমেও আন্দোলনের খবর প্রচার প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ নাহিদের জবানবন্দি গ্রহণ বুধবার আংশিক সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার তার অবশিষ্ট জবানবন্দি রেকর্ড করা হবে।

উল্লেখ্য, এই মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনও আসামি ছিলেন। তবে চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন দোষ স্বীকার করে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হয়েছেন।

প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »