BMBF News
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

২৯৮ আসনের ফলাফলে বিএনপি জোট বিজয়ী ২১৩, জামায়াত জোট ৭৪

দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দেশে প্রথমবারের মতো এই নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছে গণভোট। উৎসবমুখর পরিবেশে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ২৯৯টি আসনে একটানা চলেছে ভোটগ্রহণ। এরই মধ্যে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হয়ে গেছে বেসরকারিভাবে। এতে ২১৩ আসনে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপি জোট।

সর্বশেষ ২৯৮টি আসনের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বেসরকারিভাবে বিএনপি জোট ২১৩টি আসনে নির্বাচিত হয়েছে। জামায়াত জোট নির্বাচিত হয়েছে ৭৪টি আসনে। স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দলের প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন ১১টি আসনে।

সর্বশেষ প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী বেসরকারিভাবে বিজয়ীরা হলেন-

রাঙামাটি: বিএনপির দীনের দেওয়ান।

খাগড়াছড়ি: বিএনপির ওয়াদুদ ভুইয়া।

বান্দরবান: বিএনপির সাচিং প্রু।

ঢাকা-৪: জামায়াতে ইসলামীর সৈয়দ জয়নুল আবেদিন।

ঢাকা-৫: জামায়াতে ইসলামীর কামাল হোসেন।

ঢাকা-৬: বিএনপির ইশরাক হোসেন।

ঢাকা-৮: বিএনপির মির্জা আব্বাস।

ঢাকা-৯: বিএনপির হাবিবুর রশিদ হাবিব।

ঢাকা-১০: বিএনপির রবিউল আলম।

ঢাকা-১১: এনসিপির নাহিদ ইসলাম।

ঢাকা-১৩: বিএনপির ববি হাজ্জাজ।

ঢাকা-১৪: জামায়াতের মীর আহমাদ আরমান।

ঢাকা-১৫: জামায়াতের শফিকুর রহমান।

ঢাকা-১৬: জামায়াতের কর্নেল (অব.) আবদুল বাতেন।

ঢাকা-১৭: বিএনপির তারেক রহমান।

ঢাকা-১৮: বিএনপির এস এম জাহাঙ্গীর।

ঢাকা-২০: বিএনপির তমিজউদ্দিন।

কুমিল্লা-১: বিএনপির ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

কুমিল্লা-২: বিএনপির সেলিম ভূইয়া।

কুমিল্লা-৩: বিএনপির শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।

কুমিল্লা-৪ : এনসিপির হাসনাত আবদুল্লাহ।

কুমিল্লা-৫: বিএনপির জসিম উদ্দিন

কুমিল্লা-৬: বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী।

কুমিল্লা-৭: স্বতন্ত্র প্রার্থী আতিকুল আলম শাওন।

কুমিল্লা-৮: বিএনপির জাকারিয়া তাহের সুমন।

কুমিল্লা-৯: বিএনপির আবুল কালাম।

কুমিল্লা-১০: বিএনপির মোবাশ্বের আলম ভূইয়া।

কুমিল্লা-১১: জামায়াতের ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো.তাহের।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১: বিএনপির এম এ হান্নান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২- স্বতন্ত্র রুমিন ফারহানা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩: বিএনপির ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল আলম শ্যামল।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪: বিএনপির মুশফিকুর রহমান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫: গণসংহতির জুনায়েদ সাকি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬: বিএনপির এম এ মান্নান।

টাঙ্গাইল-১: বিএনপির ফকির মাহবুব আনাম।

টাঙ্গাইল-২: বিএনপির আব্দুস সালাম পিন্টু।

টাঙ্গাইল-৩: স্বতন্ত্রপ্রার্থী মো. লুৎফর রহমান খান আজাদ।

টাঙ্গাইল-৪: বিএনপির লুৎফর রহমান মতিন।

টাঙ্গাইল-৫: বিএনপির সুলতান সালাহউদ্দিন।

টাঙ্গাইল-৬: বিএনপির মো. রবিউল আওয়াল।

টাঙ্গাইল-৭: বিএনপির আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী।

টাঙ্গাইল-৮: বিএনপির আহমেদ আযম খান।

মানিকগঞ্জ-২: বিএনপির আফরোজা খান রিতা।

বাগেরহাট-১: জামায়াতের মো. মশিউর রহমান খান।

বাগেরহাট-২:জামায়াতের শেখ মনজুরুল হক রাহাত।

বাগেরহাট-৩: বিএনপির ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম।

বাগেরহাট- ৪: জামায়াতের মো. আব্দুল আলীম।

মৌলভীবাজার-১: বিএনপির নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু।

মৌলভীবাজার-২: বিএনপির শওকতুল ইসলাম শকু।

মৌলভীবাজার-৩: বিএনপির এম. নাসের রহমান।

মৌলভীবাজার-৪: বিএনপির হাজী মুজিবুর রহমান চৌধুরী।

সিলেট-১: বিএনপির খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।

সিলেট-২: বিএনপির তাহসিনা রুশদীর লুনা।

সিলেট-৩: বিএনপির এম এ মালিক।

সিলেট-৪: বিএনপির আরিফুল হক চৌধুরী।

সিলেট-৫: খেলাফত মজলিসের মুফতি আবুল হাসান।

সিলেট-৬: বিএনপির এমরান আহমদ চৌধুরী।

সুনামগঞ্জ-১: বিএনপির কামরুজ্জামান কামরুল।

সুনামগঞ্জ-২: বিএনপির নাছির উদ্দিন চৌধুরী।

সুনামগঞ্জ-৩: বিএনপির মোহাম্মদ কয়ছর।

সুনামগঞ্জ-৪: বিএনপির অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম।

সুনামগঞ্জ-৫: বিএনপির কলিম উদ্দিন মিলন।

হবিগঞ্জ-১: বিএনপির ড. রেজা কিবরিয়া।

হবিগঞ্জ-২: বিএনপির ডা. আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান।

হবিগঞ্জ-৩: বিএনপির আলহাজ জি কে গউছ।

হবিগঞ্জ-৪: বিএনপির এস এম ফয়সল।

রংপুর-১: জামায়াতের রায়হান সিরাজী।

রংপুর-২: জামায়াতের এটিএম আজাহারুল ইসলাম।

রংপুর-৩: জামায়তের মাহবুবুর রহমান বেলাল।

রংপুর-৪: এনসিপির আখতার হোসেন।

রংপুর-৫: জামায়াতের অধ্যাপক গোলাম রব্বানী।

রংপুর-৬: জামায়াতের নুরুল আমিন।

রাজশাহী-১: জামায়াতের অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।

রাজশাহী-২:বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু।

রাজশাহী-৩: বিএনপির অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন।

রাজশাহী-৪: জামায়াতের ডা. আব্দুল বারী সরদার।

রাজশাহী-৫: বিএনপির অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম মন্ডল।

রাজশাহী-৬: বিএনপির আবু সাঈদ চাঁদ।

নড়াইল-১: বিএনপির বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম।

নড়াইল-২: জামায়াতের অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান বাচ্চু।

নাটোর-১: বিএনপির ফারজানা শারমিন পুতুল।

কুষ্টিয়া-১: বিএনপির রেজা আহমেদ ওরফে বাচ্চু মোল্লা।

কুষ্টিয়া-২: জামায়াতে ইসলামীর মো. আব্দুল গফুর।

কুষ্টিয়া-৩: জামায়াতে মুফতি আমির হামজা।

কুষ্টিয়া-৪: জামায়াতে মো. আফজাল হোসেন

পঞ্চগড়-১: বিএনপির ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওশাদ জমির।

পঞ্চগড়-২: বিএনপির পল্লি উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন আজাদ।

গোপালগঞ্জ-১: বিএনপির সেলিমুজ্জামান মোল্যা।

গোপালগঞ্জ-২: বিএনপির কে এম বাবর।

গোপালগঞ্জ-৩: বিএনপির এস এম জিলানী।

মাদারীপুর-১: বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাইদ উদ্দিন হানজালা।

মাদারীপুর-২: বিএনপির প্রার্থী জাহানদার আলী জাহান।

মাদারীপুর-৩: বিএনপির আনিসুর রহমান খোকন।

শরীয়তপুর-১: বিএনপির সাঈদ আহমেদ আসলাম।

শরীয়তপুর-২: বিএনপির শফিকুর রহমান কিরণ।

শরীয়তপুর-৩: বিএনপির মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।

পিরোজপুর-১: জামায়াতের মাসুদ সাঈদী।

পিরোজপুর-২: বিএনপির আহমেদ সোহেল মঞ্জুর সুমন।

পিরোজপুর-৩: বিএনপির রুহুল আমিন দুলাল।

ঝালকাঠি-২: বিএনপির ইসরাত সুলতান ইলেন ভুট্টো।

পটুয়াখালী-২: জামায়াতের মোঃ শফিকুল ইসলাম।

গাইবান্ধার-১: জামায়াতের মাজেদুর রহমান।

গাইবান্ধা-২: জামায়াতের আব্দুল করিম।

গাইবান্ধা-৩: জামায়াতের নজরুল ইসলাম।

গাইবান্ধা-৪: বিএনপির শামীম কায়সার।

গাইবান্ধা-৫: জামায়াতের আব্দুল ওয়ারেছ।

নরসিংদী-১: বিএনপির খায়রুল কবির খোকন।

নরসিংদী-২: বিএনপির ড. আব্দুল মঈন খান।

নরসিংদী-৩: বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনজুর এলাহী।

নরসিংদী-৪: বিএনপির সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল ।

নরসিংদী-৫: বিএনপির ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল।

ফরিদপুর-১: জামায়াতের ইলিয়াস মোল্লা।

ফরিদপুর-২: বিএনপির শামা ওবায়েদ।

ফরিদপুর-৩: বিএনপির নায়াব ইউসুফ।

ফরিদপুর-৪: বিএনপির শহীদুল ইসলাম বাবুল।

রাজবাড়ী-১: বিএনপির আলী নেওয়াজ মাহমুদ্

রাজবাড়ী-২: বিএনপির হারুনুর রশীদ।

লালমনিরহাট-১: বিএনপির হাসান রাজীব।

লালমনিরহাট-২: বিএনপির রোকন উদ্দিন।

লালমনিরহাট-৩: বিএনপির আসাদুল হাবিব দুলু্।

মাগুরা-১: বিএনপির মনোয়ার হোসেন খাঁন

মাগুরা-২: বিএনপির নিতাই রায় চৌধুরী

কিশোরগঞ্জ-১: বিএনপির মাজহারুল ইসলাম।

কিশোরগঞ্জ-২: বিএনপির জালাল উদ্দিন।

কিশোরগঞ্জ-৩: বিএনপির ওসমান ফারুক।

কিশোরগঞ্জ-৪: বিএনপির ফজলুর রহমান।

কিশোরগঞ্জ-৫: স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল।

কিশোরগঞ্জ-৬: বিএনপির শরিফুলইসলাম।

চট্টগ্রাম-১: বিএনপির নুরুল আমিন।

চট্টগ্রাম-২: বিএনপির সরওয়ার আলমগীর।

চট্টগ্রাম-৩: বিএনপির মোস্তফা কামাল পাশা।

চট্টগ্রাম-৪: বিএনপির মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী।

চট্টগ্রাম-৫: বিএনপির মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

চট্টগ্রাম-৬: বিএনপির গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী।

চট্টগ্রাম-৭: বিএনপির হুম্মাম কাদের চৌধুরী।

চট্টগ্রাম-৮: বিএনপির এরশাদ উল্লাহ।

চট্টগ্রাম-৯: বিএনপির আবু সুফিয়ান।

চট্টগ্রাম-১০: বিএনপির সাঈদ আল নোমান।

চট্টগ্রাম-১১: বিএনপির আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম-১২: বিএনপির এনামুল হক।

চট্টগ্রাম-১৩: বিএনপির সরওয়ার জামাল নিজাম।

চট্টগ্রাম-১৪: বিএনপির জসিম উদ্দিন আহমেদ।

চট্টগ্রাম-১৫: জামায়াতের শাহজাহান চৌধুরী।

চট্টগ্রাম-১৬: জামায়াতের মো. জহিরুল ইসলাম।

ভোলা-১: বিএনপি জোটের ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ।

ভোলা-২: বিএনপির আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম।

ভোলা-৩: বিএনপির মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

ভোলা-৪: বিএনপির মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন।

যশোর-১: জামায়াতে মুহাম্মদ আজীজুর রহমান।

যশোর-২: জামায়াতের মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ।

যশোর-৩: বিএনপির অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

যশোর-৪: জামায়াতের গোলাম রসুল।

যশোর-৫: জামায়াতের গাজী এনামুল হক।

যশোর-৬: জামায়াতের মোক্তার আলী।

মেহেরপুর-১: জামায়াতের তাজউদ্দিন খান।

মেহেরপুর-২: জামায়াতের নাজমুল হুদা।

জয়পুরহাট-১: জামায়াতের ফজলুর রহমান সাঈদ।

জয়পুরহাট-২: বিএনপির আব্দুল বারী।

কক্সবাজার-১: বিএনপির সালাহ উদ্দিন আহমদ।

কক্সবাজার-২: বিএনপির আলমগীর মোঃ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।

কক্সবাজার-৩: বিএনপির লুৎফুর রহমান কাজল।

কক্সবাজার-৪: বিএনপির শাহজাহান চৌধুরী।

ঝিনাইদহ-১: বিএনপির অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান।

ঝিনাইদহ-২: জামায়াতের আলী আজম মোঃ আবু বকর।

ঝিনাইদহ-৩: জামায়াতের মতিয়ার রহমান।

ঝিনাইদহ-৪: জামায়াতের আবু তালিব।

নেত্রকোনা-৪: লুৎফজ্জামান বাবর।

ঠাকুরগাঁও-১: বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত দেশের ২৯৯টি আসনে (একটি আসনে প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে স্থগিত) ভোট নেওয়া হয়। এরপর শুরু হয় ভোট গণনা।

দীর্ঘ ১৮ বছর পর মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। ছোটখাট দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা ড, মুহাম্মদ ইউনূস শান্তিপূর্ণ ভোট উপহার দেওয়ায় দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি আশা করেন ফলাফল ঘোষণার পরও সবাই ঐক্যবদ্ধ ও শান্তি বজায় রাখেন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩। এর মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার এক হাজার ২৩২ জন।

প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »