BMBF News
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ লড়াইয়ে বিএনপির অসংখ্য নেতা-কর্মী গুম ও হত্যার শিকার হয়েছেন এবং প্রায় ৪০ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। তবে গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে আবারও গণতান্ত্রিক ধারাকে সুগম করা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) সেক্রেটারি আন্দা ফিলিপের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সাক্ষাতে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও সংসদীয় ব্যবস্থা নিয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করতে হয়েছে। এই সংগ্রামের পথে দলের অসংখ্য নেতা-কর্মী গুম ও হত্যার শিকার হয়েছেন। পাশাপাশি প্রায় ৪০ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরে তারা অত্যন্ত আনন্দিত। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে গণতান্ত্রিক ধারাকে আরও সুগম করা সম্ভব হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপির রাজনৈতিক ভূমিকা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনেনি, সংসদীয় গণতন্ত্রও এই দলের হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমান সরকার দেশের প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং জনগণের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

তবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পরও সামনে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে স্বীকার করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, গণতন্ত্র নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। এসব প্রত্যাশা পূরণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং একটি কার্যকর ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই দেশের টেকসই অগ্রগতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব বলে তারা বিশ্বাস করেন।

সাক্ষাৎকালে আইপিইউ সেক্রেটারি আন্দা ফিলিপ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নিয়মিত জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অংশগ্রহণ সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি তার দৃঢ় অঙ্গীকারের একটি শক্তিশালী বার্তা বহন করে।

বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রারও প্রশংসা করেন আইপিইউ সেক্রেটারি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে জনগণের মধ্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি আস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

আন্দা ফিলিপ জানান, তিনি বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার পড়েছেন এবং সেখানে শিক্ষা খাতে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ও কমিউনিটিভিত্তিক কর্মসূচির প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতা আরও জোরদার করতে আইপিইউ আগ্রহী বলেও জানান তিনি।

তানজানিয়ায় অনুষ্ঠেয় আইপিইউর ১৫৩তম সম্মেলনে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকারের অংশগ্রহণের বিষয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন আইপিইউ সেক্রেটারি। তার অংশগ্রহণের মাধ্যমে আইপিইউ এবং বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মধ্যকার সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

গণতন্ত্রকে আরও কার্যকর ও টেকসই করতে নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন আন্দা ফিলিপ। পাশাপাশি তরুণ ও নারী সংসদ সদস্যদের সঙ্গে তার বৈঠকের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, তারা অত্যন্ত উদ্যমী এবং সংসদীয় কার্যক্রমে আগ্রহী।

সাক্ষাতে নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন তার সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। নারীদের জন্য অনার্স পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা এবং নারী শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

এ ছাড়া ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করা এবং পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের অংশগ্রহণ বাড়ানো বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

সাক্ষাৎকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ওয়েব হোস্টিং কিনুন
৭৫% পর্যন্ত ছাড়ে!
  • ফ্রি ডোমেইন ও ইমেইল
  • আনলিমিটেড ফ্রি SSL
  • ৩০ দিনের মানি-ব্যাক গ্যারান্টি
অফারটি দেখুন »

- Advertisement -