BMBF News
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

পায়রা নদীতে প্রকাশ্যে বেপরোয়া ইলিশ শিকার,নেই কোনো টহল

মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ,মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি:

 

পটুয়াখালী সদর উপজেলার মাটিভাঙা ও মির্জাগঞ্জ উপজেলার গোলখালী সংলগ্ন পায়রা নদীতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রকাশ্যে বেপরোয়াভাবে ইলিশ মাছ শিকারের হিড়িক চলছে। নেই কোনো প্রশাসনিক বাধ্যবাধকতা,নেই কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল। ইলিশের প্রজনন রক্ষায় ঘোষিত ২২ দিনের সরকারি অবরোধ চলাকালেও নদীর মাঝখানে শত শত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারে ফেলা জালে মাছ নিধন করছে। স্থানীয় জনগণ তীরে দাঁড়িয়ে বিস্মিত হয়ে অবলোকন করছে ইলিশ শিকারের এ মহা দূর্নীতির উৎসব।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে
সরেজমিনে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার ৪ নং দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নের গোলখালী গ্রামের সুয়েজঘাট সংলগ্ন পায়রা নদীর তীরে গিয়ে দেখা যায়, নদীর বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে অসংখ্য নৌকা জাল ফেলে ইলিশ মাছ শিকার করছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ,নদী এলাকায় কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ ও মৎস্য দপ্তরের নিয়মিত তদারকি ও কার্যকর ব্যবস্থা নেই।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে ইউপি সদস্য আতিকুর রহমান নান্নু বলেন, প্রশাসনিক টিম বা টহল বোট এখানে আসেননা। প্রকাশ্যে দিবালোকে এখানে জাল ফেলে ইলিশ শিকার করছে। তবে তিনি জানান, গোলখালী তথা এপাড়ের জেলেরা অবরোধ মেনে চললেও ওই পাড়ের মাটিভাংগা,ফুলতলা,ভুতুমিয়া এলাকার জেলেরা আইনের তোয়াক্কা করছেন না। তিনি আরো জানান,জেলেরা নিজেরাই বলেন, কোস্টগার্ডকে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে তারা ইলিশ শিকার করছে।

স্থানীয় আব্দুস সালাম (৬০) সিকদার বলেন, এখানে সবসময় মাছ ধরছে। এভরিডে।

তবে তানভীর (৩৫) নামের এক যুবকের বক্তব্য ছিল জেলেদের কর্মকাণ্ড কানামাছি খেলার মতো। প্রশাসন বা কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশ আসলে সাময়িকভাবে জেলেরা তীরের কাছাকাছি চলে যায় বা সরে পড়ে, কিন্তু তারা প্রস্থান করা মাত্রই পুনরায় নদীতে নেমে পড়ে ইলিশ শিকার শুরু করে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় গৃহীত জাতীয় পদক্ষেপ যদি এভাবে দায়িত্বশীল দপ্তরগুলোর অবহেলা ও তদারকির অভাবে ব্যর্থ হয়, তবে তা দেশের মৎস্য সম্পদের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলবে। তারা অনতিবিলম্বে পায়রা নদীতে নিয়মিত ও কঠোর টহল জোরদার এবং নিয়ম লঙ্ঘনকারী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী বলেন,”টহল তো নিয়মিতই আছে, তবে এক জায়গায় তো আর সবসময় বসে থাকা সম্ভব হয় না। আপনাদের কাছে তথ্য থাকলে সাথে সাথে আমাদের জানালে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিতে পারি। তিনি আরো বলেন,মৎস্য সম্পদ রক্ষা করা শুধু মৎস্য অধিদপ্তর বা প্রশাসনের একার কাজ নয়,আপনার-আমার সকলের সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব। আপনারা আরেকটু ভালো করে ইনফরমেশন দিলে আমরা আরও দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারতাম। তিনি সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রমাণ চান এবং যার ভিত্তিতে নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।

ওয়েব হোস্টিং কিনুন
৭৫% পর্যন্ত ছাড়ে!
  • ✔ ফ্রি ডোমেইন ও ইমেইল
  • ✔ আনলিমিটেড ফ্রি SSL
  • ✔ ৩০ দিনের মানি-ব্যাক গ্যারান্টি
অফারটি দেখুন »

- Advertisement -