চাঁপাইনবাবগঞ্জে অভিযানের নামে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৪০ ভরি স্বর্ণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে এক পুলিশ কনস্টেবলসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে সদর থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেনের কাছ থেকে কোনো স্বর্ণ উদ্ধার না হলেও অপর আসামি মোহাম্মদ আলীর কাছ থেকে সাড়ে ২০ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি স্বর্ণ উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এনএম ওয়াসিম ফিরোজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার জাকির হোসেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর পুলিশ ফাঁড়ির অধীনে অফিসার্স মেসে কর্মরত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে স্বর্ণ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠার পর তাকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। তিনি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দেবীপুর গ্রামের বাসিন্দা।
অন্যদিকে গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আলী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের আলমপুর গ্রামের বাসিন্দা।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এনএম ওয়াসিম ফিরোজ জানান, গত ৮ আগস্ট বিকেল ৩টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার কালীনগর এলাকায় অভিযানের নামে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৪০ ভরি স্বর্ণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে জাকির হোসেন, মোহাম্মদ আলীসহ আরও একজনের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় শনিবার সদর থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন খোয়া যাওয়া স্বর্ণের মালিক ও রাজশাহীর স্বর্ণ ব্যবসায়ী নিঝুম। মামলা দায়েরের পর শনিবার রাতেই জাকির হোসেন ও মোহাম্মদ আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আলীর কাছ থেকে সাড়ে ২০ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি স্বর্ণ উদ্ধারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। মামলার অপর আসামিকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী থেকে ৪০ ভরি গলানো স্বর্ণ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত এলাকা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এসব স্বর্ণ ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছিল বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে এ বিষয়ে তদন্তের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য বেরিয়ে আসবে।
