BMBF News
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

ঢাকায় মনোরেলের মহাপরিকল্পনা, ২০২৯ সালে চালুর লক্ষ্য!

মেট্রোরেলের পর এবার ঢাকায় মনোরেল চালুর সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু করেছে সরকার। মূলত মেট্রোরেলের সঙ্গে সংযোগ বাড়ানো এবং যাত্রীদের যাতায়াতের শেষ ধাপের সুবিধা নিশ্চিত করতে ফিডার সার্ভিস হিসেবে এলিভেটেড মনোরেল চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) সঙ্গে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ব্যুরো অব রিসার্চ, টেস্টিং অ্যান্ড কনসালটেশনের চুক্তি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ডিটিসিএ ভবনে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত প্রাক-সম্ভাব্যতা সমীক্ষাটিতে ব্যয় হবে সাড়ে ৭ কোটি টাকা এবং সমীক্ষার মেয়াদ ধরা হয়েছে ছয় মাস।

সমীক্ষায় সংশোধিত কৌশলগত পরিবহন পরিকল্পনায় প্রস্তাবিত পাঁচটি মনোরেল করিডরের পাশাপাশি ঢাকার মহানগর অঞ্চলের অন্যান্য সম্ভাব্য রুটও যাচাই করা হবে। বুয়েটের পরামর্শ অনুযায়ী মোট ১৪টি রুট বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। এসব রুটের মধ্য থেকে সম্ভাব্যতা ও অর্থনৈতিক সুবিধা বিবেচনা করে অগ্রাধিকারযোগ্য করিডর বাছাই করা হবে।

প্রস্তাবিত পাঁচটি করিডরের মধ্যে রয়েছে পূর্বাচল ও জলসিঁড়ি হয়ে বিমানবন্দর-বসুন্ধরা, মধ্য বাড্ডা-ভুলতা, রামপুরা-ডেমরা, মোহাম্মদপুর-পোস্তগোলা এবং উত্তরা সেন্টার হয়ে বিমানবন্দর-সাভার। সব মিলিয়ে এসব পাঁচটি করিডরের দৈর্ঘ্য প্রায় ৭৯ দশমিক ৪ কিলোমিটার।

ADS Payra UP Election

সমীক্ষায় সম্ভাব্য রুট ও অ্যালাইনমেন্ট, স্টেশন ও ডিপোর অবস্থান, যাত্রী চাহিদা, কারিগরি ও কাঠামোগত উপযোগিতা এবং নির্মাণ ও পরিচালনসংক্রান্ত বিষয় বিশ্লেষণ করা হবে। পাশাপাশি অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা, পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাবও যাচাই করা হবে।

বিদ্যমান ও পরিকল্পনাধীন মেট্রোরেল এবং অন্যান্য গণপরিবহন ব্যবস্থার সঙ্গে মনোরেলের সমন্বয়ের বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় ভারী মেট্রোরেল অবকাঠামো নির্মাণে জায়গা বা বাস্তবায়নগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে, সেসব এলাকায় মনোরেল কতটা কার্যকর হতে পারে, তা যাচাই করা হবে।

ডিটিসিএর অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মসিউর রহমান জানিয়েছেন, সরকারের লক্ষ্য ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে অন্তত একটি মনোরেল রুট চালু করা। তবে কোন রুটে মনোরেল নির্মাণ করা হবে, তা সমীক্ষার ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে।

অর্থাৎ, ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থায় মেট্রোরেলের পাশাপাশি মনোরেল যুক্ত করার পরিকল্পনা এখন সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। সমীক্ষার ফলাফলের পরই কোন করিডর বাস্তবায়নযোগ্য এবং কোথায় প্রথম মনোরেল চালু হবে, সে বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Pearl IT
✔ ওয়েব ডিজাইন
✔ গ্রাফিক্স ডিজাইন
✔ কন্টেন্ট পাবলিশিং
✔ এসইও সার্ভিস
অর্ডার করুন »