গাজীপুর সংবাদদাতা:গাজীপুরের কাশিমপুর থানার চক্রবর্তী এলাকায় এক ঝালমুড়ি বিক্রেতার ছুরিকাঘাতে গাজী রাফেজ আহমেদ (৩৫) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মুরাদ হোসেন ও আশরাফ আলী নামের আরও দুজন গুরুতর আহত হয়ে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গতকাল বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মহানগরীর কাশিমপুর চক্রবর্তী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত গাজী রাফেজ আহমেদ খুলনা জেলার দাকোপ থানার বাঁশখালী গ্রামের গাজী খোরশেদ আলমের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার রাতে চক্রবর্তী এলাকায় রাফেজ একটি দোকানে ঝালমুড়ি খাচ্ছিলেন। এ সময় পাশের আরেকটি দোকানের ঝালমুড়ি বিক্রেতা কয়েকজন পথচারীর সঙ্গে বাগবিতণ্ডা ও চিৎকার-চেঁচামেচি করছিলেন। রাফেজ সেখানে গিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত ঝালমুড়ি বিক্রেতা নিজের কাছে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে রাফেজ ও উপস্থিত আরও দুজনের ওপর হামলা চালান। হামলায় রাফেজের পেটের ডান পাশে গভীর জখম হয়।

পরে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রাফেজের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাত ১টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় অভিযুক্ত ঝালমুড়ি বিক্রেতা আতাউর রহমানকে (৪২) পুলিশ আটক করে। আতাউর রহমান গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার ফলগাছা গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কাশিমপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শফিক আহমেদ বলেন, "অভিযুক্ত ঝালমুড়ি বিক্রেতাকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আটক আতাউরের বিরুদ্ধে এর আগেও একটি হত্যা মামলা রয়েছে।"
