মিরপুরের শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের বিচার দ্রুত শেষ করে এক মাসের মধ্যেই সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভবিষ্যতে কেউ যেন এমন নৃশংস কাজ করার সাহস না পায়, সেজন্য সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। শনিবার বিকেলে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, রামিসা হত্যার ঘটনাটি সমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের একটি বড় উদাহরণ। শিশু ও নারীদের ওপর যেকোনো ধরণের সহিংসতা বর্তমান সরকার সহ্য করবে না বলেও তিনি সতর্ক করেন। তার মতে, দীর্ঘদিনের অপশাসনের কারণে দেশের বিচারব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং এর ফলে মানবিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের বড় ক্ষতি হয়েছে। একটি নিরাপদ ও মানবিক সমাজ গড়তে তিনি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।
জাতীয় কবির কথা স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৬ সালে নজরুল ইসলামের মৃত্যুর পর তার কফিন বহনকারীদের মধ্যে জিয়াউর রহমানও ছিলেন। এছাড়া ১৯৮৯ সালে নজরুলের জন্মজয়ন্তীর র্যালিতেও তিনি অংশ নিয়েছিলেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বেগম খালেদা জিয়া ত্রিশালে নজরুলের নামে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এবং জাতীয় কবি নজরুল ইসলাম একে অপরের সাথে গভীরভাবে যুক্ত। নজরুলকে তিনি জাতীয় পরিচয় ও জাতীয়তাবাদের চেতনার অন্যতম প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেন। অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং নজরুল গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে তিনি কবির বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন।