BMBF News
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

নাটোর-পাবনা মহাসড়কে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষ: মির্জাগঞ্জের ব্যাংক কর্মকর্তা ও তাঁর ৮ বছরের শিশুকন্যা নিহত, স্ত্রী ও পুত্র হাসপাতালে

মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি 

 

 

নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়ায় পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে বাস ও বালুবাহী ট্রাকের ভয়াবহ মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের বাবা ও শিশুকন্যাসহ অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ থেকে ৩২ জন যাত্রী। দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে রয়েছেন পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের এক ব্যাংক কর্মকর্তা ও তাঁর শিশুকন্যা।
নিহত ব্যাংক কর্মকর্তা হলেন মোঃ শহিদুল ইসলাম (৫০)। তিনি পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার ২ নং মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের মৃত আজাহার আলী হাওলাদারের পুত্র এবং ব্রাক ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন। শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার পথে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় নিহত তাঁর ৮ বছরের শিশুকন্যার নাম আশফিয়া।

এছাড়া শহিদুল ইসলামের ব্যাংক কর্মকর্তা স্ত্রী ও এক পুত্র গুরুতর আহত ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় নাটোর ও রাজশাহী পৃথক দুই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শফিউল আজম খান মুঠোফোনে জানান,মির্জাগঞ্জের কত জন মৃত হয়েছে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না।

এদিকে মির্জাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ তৌহিদুজ্জামান জানান, মর্মান্তিক দুর্ঘটনার বিষয়টি জেনেছি। খোঁজ খবর নেওয়ার চেষ্টা করছি। পরবর্তী প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”

বড়াইগ্রাম প্রশাসন, থানা ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় মির্জাগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা আরপি পরিবহন চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী যাত্রীবাহী একটি নৈশকোচ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়ায় পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে পৌঁছালে পাবনার দিক থেকে আসা একটি বালুবাহী ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় বাস ও ট্রাক দুটিই দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ব্যাংক কর্মকর্তা শহিদুল আলম ইসলাম ও তাঁর শিশুকন্যা আশফিয়া সহ ৯ জন মারা যান। পরবর্তীতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ২ জনের মৃত্যু হলে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ১১ জনে।
ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করে আহতদের নাটোর জেনারেল হাসপাতাল, স্থানীয় ক্লিনিক ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণের ব্যবস্থা করে। আহতদের মধ্যে অনেকের মাথায় মারাত্মক আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ায় এবং কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে বড়াইগ্রাম উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস মুঠোফোনে জানান, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ভোরবেলা হওয়ার কারণে চালক ঘুমন্ত অবস্থায় বা অসাবধানতাবশত গাড়ি চালাচ্ছিলেন। নিহতদের পরিবারকে সরকারি নিয়ম (বিআরটিএ) অনুযায়ী ৩ মাসের মধ্যে নির্দিষ্ট ফরমে (৩২ খ) আবেদন সাপেক্ষে ৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হবে। এছাড়া ঘটনাটির কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে।”

প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »