BMBF News

পবিপ্রবি’তে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

৪৬

 

মোঃ কামাল হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

 

 

 

যথাযোগ্য মর্যাদায় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৫ উদযাপন করা হয়েছে। জাতীয় পতাকা উত্তোলন, পুষ্পস্তবক অর্পণ, স্বাধীনতা দিবস র‍্যালি, বর্নাঢ্য কুচকাওয়াজ, আলোচনাসভা, শিশু কিশোরদের প্রতিযোগিতা, দোয়া এবং প্রার্থনাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন হয়।

বুধবার সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং সাড়ে ৯টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় প্রো ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এসএম হেমায়েত জাহানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রভোস্ট কাউন্সিল, পবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি, রোভার, ইএসডিএম ক্লাব, বাধনসহ বিভিন্ন সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

সকাল ১০টায় কৃষি অনুষদের কনফারেন্স কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্বাধীনতা দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি প্রফেসর মোঃ জামাল হোসেন এর সভাপতিত্বে এবং ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. মোঃ আমিনুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় উক্ত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এসএম হেমায়েত জাহান।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সিনিয়র প্রফেসর ড. মোঃ হামিদুর রহমান, প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুব রব্বানী, রিজেন্ট বোর্ড সদস্য  প্রফেসর ড. মোঃ হাবিবুর রহমান, প্রফেসর ড. মোঃ মামুন অর রশিদ, এফবিএ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সুজাহাঙ্গীর কবির সরকার, জনসংযোগ বিভাগের সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর মোঃ মাহফুজুর রহমান সবুজ, সহকারী রেজিস্ট্রার মোঃ রিয়াজ কাঞ্চন শহীদ, সাংবাদিক সমিতির সহসভাপতি মোঃ মারসিফুল আলম রিমন এবং কর্মচারী মোঃ মোশারেফ হোসেন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন,  আমরা আজ এক গৌরবময় দিনে একত্রিত হয়েছি—২৬ মার্চ, আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবস। এই দিনটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, সমগ্র জাতির জন্য এক অনন্য অর্জনের স্মারক। ১৯৭১ সালের এই দিনে আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা নির্যাতনের শৃঙ্খল ভেঙে একটি স্বাধীন দেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।