হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন। দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের বিবৃতিতে বলা হয়, শনিবার প্রথম প্রহরে নিজ কার্যালয়ে খামেনি নিহত হন।
এই বিবৃতি ইরানের বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমে পাঠ করা হয়। খামেনির মৃত্যুতে দেশটিতে ৪০ দিন শোক এবং সাত দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
ইরানের বিপ্লবী রক্ষী বাহিনী খামেনির হত্যাকারীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছে। তারা বলেছে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী অল্প সময়ের মধ্যেই ইসরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালাবে।
শনিবার ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। জবাবে ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের দুবাই, দোহা, বাহরাইন ও কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান।
ইরানের সরকারি মিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণের একটি স্কুলে হামলায় কমপক্ষে ১০৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন, এবং ২৪ প্রদেশে নিহতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে।
খামেনি নিহত হয়েছেন, হামলার পর এমন দাবি করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এখন ইরান তাদের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করল।
১৯৮৯ সাল থেকে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। তিনি ছিলেন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এবং সেনাবাহিনীর প্রধান। জাতীয় পুলিশ ও মোরাল পুলিশের ওপরও তার নিয়ন্ত্রণ ছিল। ইরানের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্বে থাকা বিপ্লবী রক্ষী বাহিনীও ছিল খামেনির নিয়ন্ত্রণে।
১৯৩৯ সালে উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে জন্মগ্রহণ করেন খামেনি। সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার আগে আশির দশকে ইরাকের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইরানকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি