ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার পক্ষিয়া ইউনিয়নে যুবদল নেতা আশিক চৌধুরীর বাড়িতে ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে। এ সময় মসজিদের ইমাম খায়রুর ইসলামকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে খাটের সঙ্গে বেঁধে রাখা এবং বাড়ির লোকজনকে মারধরের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
বুধবার (১২ আগস্ট) ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, গত পরশু রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে একদল দুর্বৃত্ত বাড়িতে প্রবেশ করে। প্রথমে বারান্দায় থাকা মসজিদের ইমাম খায়রুর ইসলামকে আটক করে খাটের সঙ্গে বেঁধে ফেলে। পরে আশিক চৌধুরী ও রাজিব চৌধুরীকে মারধর করে ঘরে থাকা নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যায়।
আশিক চৌধুরী পক্ষিয়া ইউনিয়নের বাটামারা এলাকার বাসিন্দা এবং ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
রাজিব চৌধুরীর দাবি, ডাকাতরা তার দুটি চেইন, দুই জোড়া কানের দুল, দুটি আংটি, এক জোড়া রুপার নুপুর ও দেড় লাখ টাকা নিয়ে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আসমত আলী জানান, একই রাতে ওই ওয়ার্ডের সাবেক এক মেম্বারের বাড়িতেও ডাকাতির চেষ্টা করা হয়েছিল। সেখানে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হলে দুর্বৃত্তরা সৈয়দ মাকসুদুর রহমান চৌধুরীর বাড়িতে গিয়ে ইমামকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
ইমাম খায়রুর ইসলাম ইন্দ্র নারায়ণপুর এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে। তিনি আশিক চৌধুরীদের নিজস্ব মসজিদ ও মাদ্রাসায় দায়িত্ব পালন করেন এবং সেই সুবাদে ওই বাড়ির বারান্দায় থাকতেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পুলিশকে খবর দেওয়ার পর তাদের পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। এতে পরিবারটির মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা দ্রুত ঘটনার তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশের কাছে জমা রয়েছে। ফুটেজ পর্যালোচনা করে তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
