BMBF News
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

২৩৫ ইউনিট বিদ্যুতের বিল ৫০৭ কোটি টাকা, মাগুরায় পল্লী বিদ্যুৎ জিএম বরখাস্ত!

মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার, অথচ বিল এসেছে প্রায় ৫০৭ কোটি টাকা! মাগুরার এক আবাসিক গ্রাহকের নামে এমন অস্বাভাবিক বিল দেওয়ার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। ঘটনার পর দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। পাশাপাশি দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো. মহিতুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে এই অস্বাভাবিক বিল তৈরি হয়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর বুধবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রীর নির্দেশনায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড জিএম মো. মহিতুল ইসলামের বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়।

ঘটনাটি জানার পর ভুক্তভোগী গ্রাহকের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনার জন্য তিনি আলেয়া খাতুনের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে মন্ত্রী জানান, এরই মধ্যে ভুল বিল সংশোধন করে সঠিক বিল গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো সমস্যা হলে সরাসরি কর্তৃপক্ষকে জানানোর জন্যও গ্রাহককে অনুরোধ করেন তিনি।

এ ঘটনায় ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জনবান্ধব ও সেবাধর্মী প্রশাসন নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। বিদ্যুৎ সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের প্রাথমিক তদন্তে অস্বাভাবিক বিল তৈরির কারণও উঠে এসেছে। তদন্তে জানা যায়, মিটার পরিবর্তনের সময় অসাবধানতাবশত মিটারের সিল নম্বরের অঙ্কগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে পোস্টিং হয়ে যায়। আর এই ভুলের কারণেই গ্রাহকের নামে তৈরি হয় শত শত কোটি টাকার বিল।

তথ্য অনুযায়ী, গত ৮ আগস্ট ওই মিটারের পূর্ববর্তী রিডিং ছিল ১৬০। ৮ সেপ্টেম্বর বর্তমান রিডিং হয় ৩৯৫। অর্থাৎ এক মাসে গ্রাহকের বিদ্যুৎ ব্যবহার ছিল ২৩৫ ইউনিট। এই ব্যবহারের বিপরীতে স্বাভাবিক বিলের পাশাপাশি ডিমান্ড চার্জ হিসেবে দেখানো হয় ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা।

ADS Payra UP Election

এর সঙ্গে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ টাকা ভ্যাট এবং ১০ টাকা মিটার ভাড়া যোগ হয়ে মোট বিল দাঁড়ায় ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল পরিশোধ না করলে বিলম্ব মাশুলসহ সেই বিলের পরিমাণ দাঁড়ানোর কথা ছিল ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ টাকা।

অথচ ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য গ্রাহকের প্রকৃত বিল হওয়ার কথা মাত্র ১ হাজার ৯৬৩ টাকা। বিলম্ব মাশুলসহও সেই অঙ্ক দাঁড়ানোর কথা ২ হাজার ৫৬ টাকা।

গত ১০ সেপ্টেম্বর বিলটি ইস্যু করা হয় এবং পরিশোধের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল ২৯ সেপ্টেম্বর। বিলে গ্রাহকের শ্রেণি হিসেবে ‘এলটি-এ (আবাসিক)’ উল্লেখ করা হয়।

এর আগে মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. রেজাউল করিমও অস্বাভাবিক বিলের বিষয়টি স্বীকার করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, মিটার পরিবর্তনের সময় ভুলবশত মিটারের সিল নম্বরের অঙ্কগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে পোস্টিং হওয়ায় এই অস্বাভাবিক বিল তৈরি হয়েছে। দ্রুত বিলটি সংশোধন করা হবে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

এ ঘটনায় ইতোমধ্যে জিএমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ভুল বিল তৈরির সঙ্গে জড়িত অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ওয়েব হোস্টিং কিনুন
৭৫% পর্যন্ত ছাড়ে!
  • ✔ ফ্রি ডোমেইন ও ইমেইল
  • ✔ আনলিমিটেড ফ্রি SSL
  • ✔ ৩০ দিনের মানি-ব্যাক গ্যারান্টি
অফারটি দেখুন »

- Advertisement -