BMBF News
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

মেহেরপুরে তালাকের ক্ষোভে সাবেক স্ত্রীকে কুপিয়ে হাত বিচ্ছিন্ন, আটক স্বামী!

মেহেরপুর শহরে ঘুমিয়ে থাকা সাবেক স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাঁর ডান হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সাবেক স্বামী সায়ন মিয়ার বিরুদ্ধে। মেয়েকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে হামলার শিকার হন ওই নারীর বাবা-মাও। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনজনকে প্রথমে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁদের ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়া সায়নকে বুধবার সকালে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে মেহেরপুর শহরের লর্ডমার্কেট এলাকার একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নন, তবে গুরুতর আহত নারী স্মৃতি খাতুন (২৬) স্থানীয় একটি কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তাঁর বাবা সেলিম হোসেন ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবসায়ী। অভিযুক্ত সায়ন মিয়া (২৮) শহরের মল্লিকপাড়ার বাসিন্দা এবং পেশায় ট্রাকচালক।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রেমের সম্পর্কের পর চলতি মাসের ১৫ আগস্ট পরিবারের অমতে সায়ন মিয়াকে বিয়ে করেন স্মৃতি খাতুন। তবে বিয়ের পর পারিবারিক চাপে ২৩ আগস্ট সায়নকে তালাক দেন তিনি।

তালাকের বিষয়টি মেনে নিতে না পেরে সায়ন ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে পুলিশ। এর দুই দিনের মাথায় গভীর রাতে স্মৃতির বাবার বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য, মঙ্গলবার গভীর রাতে জানালার গ্রিল বেয়ে সেলিম হোসেনের বাড়িতে ঢোকেন সায়ন। এরপর ঘরে ঘুমিয়ে থাকা স্মৃতির ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান তিনি।

একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে স্মৃতির ডান হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তাঁর চিৎকার শুনে পাশের ঘর থেকে বাবা সেলিম হোসেন ও মা রেবেকা খাতুন ছুটে এলে তাঁদের ওপরও হামলা চালানো হয়।

হামলার পর গুরুতর আহত অবস্থায় তিনজনই ঘরের মধ্যে পড়ে থাকেন। এ সময় অভিযুক্ত সায়ন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

পরে প্রতিবেশীরা ঘটনাটি জানতে পেরে আহত তিনজনকে উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা এম এম জাহিদুল ইসলাম জানান, রাতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনজনকে হাসপাতালে আনা হয়। স্মৃতি খাতুনের ডান হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তাঁর বাবা-মায়ের শরীরেও গভীর ক্ষত রয়েছে।

হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তিনজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হয়।

ঘটনার পর পালিয়ে যান সায়ন মিয়া। তাঁকে আটকের জন্য অভিযান শুরু করে পুলিশ। বুধবার সকাল ৭টার দিকে শহরের মল্লিকপাড়ার একটি আমবাগান থেকে তাঁকে আটক করে মেহেরপুর সদর থানা-পুলিশ।

মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীর জানান, পারিবারিক কলহের জেরে সম্প্রতি সায়নকে তালাক দিয়েছিলেন স্মৃতি। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, তালাকের ক্ষোভ থেকেই এ হামলা চালানো হয়েছে।

আটক সায়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একই পরিবারের তিনজনের ওপর এমন হামলার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

ওয়েব হোস্টিং কিনুন
৭৫% পর্যন্ত ছাড়ে!
  • ফ্রি ডোমেইন ও ইমেইল
  • আনলিমিটেড ফ্রি SSL
  • ৩০ দিনের মানি-ব্যাক গ্যারান্টি
অফারটি দেখুন »

- Advertisement -