একজনের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা প্রায় ১৩০টি। দীর্ঘদিন ধরে গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন সেই নারী। তার নাম নিশাত দিলরুবা জাহান (৩৯)। চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে একটি অবৈধ এনজিওর মাধ্যমে মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ ও আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা এসব মামলায় তিনি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর বাড্ডা এলাকা থেকে নিশাত দিলরুবা জাহানকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। তিনি শিবগঞ্জ উপজেলার শিবনারায়ণপুর গ্রামের মো. সানোয়ার হোসেনের স্ত্রী।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মতিউর রহমান নিশাতের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে প্রায় ১৩০টি প্রতারণার মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তিনি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন।
পুলিশ ও র্যাব সূত্রে জানা গেছে, একটি অবৈধ এনজিওর মাধ্যমে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করেন নিশাত ও সংশ্লিষ্টরা। পরে ওই অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের করা হয়।
মামলাগুলো হওয়ার পর থেকেই গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন নিশাত। র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার এড়াতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান পরিবর্তন করে আত্মগোপনে ছিলেন।
তবে শেষ পর্যন্ত রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় তার অবস্থানের তথ্য পেয়ে অভিযান চালায় র্যাব। মঙ্গলবার দুপুরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর নিশাত দিলরুবা জাহানকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
প্রায় ১৩০টি প্রতারণার মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হিসেবে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা নিশাতের গ্রেপ্তারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
