BMBF News
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

নয়াদিগন্তের সংবাদের প্রতিবাদ ইফার প্রকল্প পরিচালক তরিকুল ইসলামের

দৈনিক নয়াদিগন্ত পত্রিকায় প্রকাশিত একটি সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ‘নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম’ (৮ম পর্যায়) প্রকল্পের পরিচালক ও সরকারের যুগ্মসচিব এস এম তরিকুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এক লিখিত বিবৃতিতে তিনি এই প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে এস এম তরিকুল ইসলাম বলেন, গত ২ সেপ্টেম্বর নয়াদিগন্তের প্রিন্ট ও অনলাইন সংস্করণে প্রতিবেদক খালিদ সাইফুল্লাহর পাঠানো “হাসিনার কার্যালয়ের পরিচালক এখন ইফার হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের পরিচালক” শীর্ষক একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনটি অত্যন্ত অসম্পূর্ণ, তথ্যবিভ্রাটপূর্ণ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এই সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে তার দীর্ঘ পেশাগত সুনাম, সামাজিক সম্মান এবং সরকারের একটি স্পর্শকাতর প্রকল্পের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ২০তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা হিসেবে সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী রাষ্ট্র ও সরকারের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে অর্পিত দায়িত্ব পালন করা তার পেশাগত আইনি বাধ্যবাধকতা। চাকরিবিধির আওতায় হওয়া স্বাভাবিক একটি পদায়নকে রাজনৈতিক ট্যাগ দেওয়া পেশাদারি প্রশাসনের কাঠামোগত নীতির পরিপন্থী।

এছাড়া প্রতিবেদনে কর্মী হেনস্তা, বরখাস্ত কিংবা অবৈধ সুযোগ-সুবিধা নেওয়ার যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বা এই প্রকল্পের কর্মী নিয়োগ, বদলি কিংবা আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা একক ব্যক্তিকেন্দ্রিক নয়, বরং তা নির্ধারিত প্রশাসনিক বোর্ড ও প্রচলিত বিধি অনুসারেই পরিচালিত হয়।

খুলনার ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেখানে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দ্রুত একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ফিল্ড অফিসারকে ইতিমধ্যে বদলি করা হয়েছে। চলমান একটি স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়াকে সংবাদে অত্যন্ত বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়।

তরিকুল ইসলাম বলেন, কোনো সুনির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি বা তথ্যপ্রমাণ ছাড়া গুরুতর অভিযোগ আনা সাংবাদিকতার মৌলিক নীতিমালার পরিপন্থী। ভিত্তিহীন তথ্যের ওপর নির্ভর করে একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করায় তিনি দণ্ডবিধির ৪৯৯ ও ৫০০ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনে প্রতিকার পাওয়ার এবং প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ করার অধিকার সংরক্ষণ করেন।

বিবৃতিতে তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নয়াদিগন্তের প্রিন্ট ও অনলাইন সংস্করণে তার পাঠানো প্রতিবাদলিপিটি সমগুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করার এবং অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজ থেকে বিভ্রান্তিকর ওই প্রতিবেদনটি প্রত্যাহার ও সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় তিনি আইন ও প্রেস কাউন্সিলের বিধি মোতাবেক পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবেন বলে সতর্ক করেছেন।

ওয়েব হোস্টিং কিনুন
৭৫% পর্যন্ত ছাড়ে!
  • ফ্রি ডোমেইন ও ইমেইল
  • আনলিমিটেড ফ্রি SSL
  • ৩০ দিনের মানি-ব্যাক গ্যারান্টি
অফারটি দেখুন »

- Advertisement -