মল্লিক মাকসুদ আহমেদ মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ-উল-আযহা পরবর্তী প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৯ মে) বিকেলে দেউলী পল্লী মঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের কেন্দ্রীয় সদস্য ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ রাশেদুল হাসান (রেজা)-এর উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির মৎস্যজীবী বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার শাকিল হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ মুন্সি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক, মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মল্লিক মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পলাশ হাওলাদার, জসিম উদ্দিনসহ ৪নং ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
খেলাটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করেন মোঃ মাসুদ হাওলাদার।
স্থানীয় যুবসমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের ব্যবস্থাপনায় ছিলেন— মোঃ হান্নান আকন, মোঃ সবুজ আকন, মোঃ আল আমিন হাওলাদার, মোঃ ইমাদুল হক, মোঃ সুমন মিয়া পলাশ, মোঃ মামুন সিকদার, খন্দকার তৌহিদুল ইসলাম রুমি, জসিম দফাদার ও আবু বকর হাওলাদারসহ আরও অনেকে।
টুর্নামেন্ট শেষে অতিথিবৃন্দ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং যুবসমাজকে মাদকমুক্ত ও সুস্থ রাখতে নিয়মিত এমন ক্রীড়া আয়োজন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
হাইভোল্টেজ ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হয় দেউলী ইয়ং স্টার ও ঢাকাস্থ দেউলী একাদশ। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলায় দেউলী ইয়ং স্টার ২-০ গোলে ঢাকাস্থ দেউলী একাদশকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
খেলা শেষে দেউলী ইয়ং স্টারের অধিনায়ক অন্তর খন্দকার অতিথিবৃন্দের কাছ থেকে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি গ্রহণ করেন।
এ সময় ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ রাশেদুল হাসান (রেজা) বলেন, “ঈদ মানেই আনন্দ, আর এই আনন্দের অন্যতম বড় অংশ গ্রামীণ ক্রীড়া উৎসব। যুবসমাজকে মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রাখতে মাঠমুখী করাই আমাদের লক্ষ্য।”
প্রধান অতিথি হারুন অর রশিদ মুন্সি বলেন, “একটি সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। ঈদ-উল-আযহা পরবর্তী সময়ে তরুণদের এমন আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সবসময়ই তরুণ সমাজকে ইতিবাচক কাজে উৎসাহিত করে আসছেন।