BMBF News
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

১৮ বছরে চাইলেও অনেক কিছু নিতে পারতাম, লোভে পা দিইনি: পার্থ

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেছেন, গত ১৮ বছরে চাইলেই তিনি নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিতে পারতেন। তবে কোনো ধরনের লোভ-লালসায় পা দেননি। মন্ত্রিত্বের দায়িত্ব পাওয়ার পরও সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ নির্বাচনি এলাকা ভোলায় পৌঁছালে তাকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন আন্দালিভ রহমান পার্থ।

তার আগমনকে কেন্দ্র করে বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে ভোলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ ও নেতাকর্মী সড়কের দুই পাশে অবস্থান নেন। তারা ফুল দিয়ে মন্ত্রীকে স্বাগত জানান। পরে ছাদখোলা গাড়িতে করে জনসাধারণের অভ্যর্থনার জবাব দেন তিনি।

মন্ত্রীর গাড়িবহর ভোলা শহরের নতুন বাজার চত্বরে পৌঁছালে সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন আন্দালিভ রহমান পার্থ। এ সময় তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করবেন।

তিনি বলেন, ‘বিগত ১৮ বছরে আমি চাইলে অনেক সুযোগ-সুবিধা নিতে পারতাম। কিন্তু কোনো লোভ-লালসায় পা দিইনি।’

ভোলার উন্নয়ন ও দীর্ঘদিনের দাবি ভোলা-বরিশাল সেতু প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এ সেতুর দাবিতে তারা সবাই আন্দোলন করেছেন এবং সংসদেও প্রত্যেকে বিষয়টি তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, ‘ভোলা-বরিশাল সেতুর জন্য আমরা সবাই আন্দোলন করেছি। সংসদে আমরা প্রত্যেকে সেতুর দাবি তুলেছি।’

পার্থ জানান, সরকারও বিষয়টি নিয়ে নিজেদের অবস্থান থেকে চিন্তা করছে। হিজলা-মুলাদী ও শরীয়তপুর হয়ে ঢাকায় যাতায়াতের বিকল্প পথ তৈরি হলে সময় কম লাগতে পারে—এমন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সরকার পরিকল্পনা করছে বলেও জানান তিনি।

তবে এ নিয়ে কোনো মহল যেন বিভ্রান্তি ছড়াতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘সরকার তার অবস্থান থেকে হিজলা-মুলাদী ও শরিয়তপুর হয়ে ঢাকা গেলে ৪০ মিনিট সময় কম লাগে বিধায় একটা কিছু ভাবছে। কিন্তু তাই বলে কুচক্রী মহল বিভ্রান্তি ছড়াবে—সেটা ঠিক নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভোলার জন্য যেটা ভালো হবে আমরা সবাই চাইব সেটাই হোক। এজন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিশেষজ্ঞরা চিন্তা করবেন কোনটা ভালো হবে। তবে আমরা আমাদের দাবির কথা বলেই যাব।’

নিজের নির্বাচনি এলাকায় দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাকে এমপি হিসেবে আপনারা ৬ মাস দেখেছেন। কোনো অনিয়ম-দুর্নীতিকে আমি প্রশ্রয় দেইনি, দেবোও না।’

টিআর ও কাবিখা প্রকল্পে কেউ অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জনগণকে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এর আগে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ঢাকা থেকে সড়কপথে বরিশাল হয়ে লাহারহাটে পৌঁছান। সেখান থেকে স্পিডবোটে করে ভোলা খেয়াঘাটে পৌঁছালে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপি ও বিজেপির নেতাকর্মীরা তাকে শুভেচ্ছা জানান।

এ সময় ভোলা জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার শহীদুল্লাহ কাওছারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। খেয়াঘাট থেকে ভোলা শহরে যাওয়ার পথেও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ফুল দিয়ে মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।

ওয়েব হোস্টিং কিনুন
৭৫% পর্যন্ত ছাড়ে!
  • ফ্রি ডোমেইন ও ইমেইল
  • আনলিমিটেড ফ্রি SSL
  • ৩০ দিনের মানি-ব্যাক গ্যারান্টি
অফারটি দেখুন »

- Advertisement -